স্কুলের গণ্ডি পার হবার আগেই কবি আব্দুর রহিমের লেখালেখি
- শুরু। তাই তো স্কুলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সুরেন্দ্র স্যারের অনুপ্রেরণায় এগিয়ে যাওয়ার
- গল্প। স্যার বলেই ফেললেন এগিয়ে যাও,
- একদিন এই লেখালেখির মূল্যায়ন হবেই। স্যারের সেই অনুপ্রেরণাই কবির এগিয়ে যাওয়ার
- পাথেয়। সব সময় চেষ্টা ছিল ভাষার সহজ ও সাবলীল প্রকাশ। না থাকুক বুদ্ধিবৃত্তিক প্যাঁচগোচ, থাকুক শুধু
- নৈর্ব্যক্তিক সততা। এই উপলব্ধি থেকেই লেখালেখির যাত্রাপথে চলা শুরু।
তার বই সম্পর্কে বরিশালের উজিরপুরের আরেক কৃতি সন্তান,
- দার্শনিক সরদার ফজলুল করিমের উদ্ধৃতি দিয়ে শেষ করতে চাই ‘ যে দেশে বই পাঠ করা হয়
- না, অক্ষম আমার বাসার মতো কেবল স্তূপ করে রাখা হয়, তা বস্তু বটে, তবে বই নয়।‘ যে
- বই পঠিত হয় কিন্তু এর বিষয়বস্তু আলোচিত হয় না, তার বক্তব্য অনুসৃত হয় না, সে বইও
- বই নয়, বস্তুমাত্র। বইয়ের আলোকে আলোকিত হয়ে গড়ে তুলি এই ভুবন।